65505

নানা আয়োজনে নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি আর সবুজ প্রকৃতি বড্ড বেশি ভালোবাসতেন নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদ। তাই তার বিয়োগ দিনে অমর কানন নূহাশ পল্লীতে রোববার (১৯ জুলাই) সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি মাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা। হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমু পরিবারের সদস্যরাও আসেন। কবরে ফুল দিয়ে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নুহাশপল্লীতে কোরআন খানি, দোয়া, মিলাদ ও এতিমদের খাবার বিতরণসহ নানা আয়োজন করা হয়।

আশেপাশের কয়েকশ’ এতিম শিশুরা দিনব্যাপি এসব অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার দুই পুত্র সন্তান নিষাদ ও নিনিদকে সাথে নিয়ে নুহাশ পল্লীতে সাড়ে ১১টার দিকে হুমায়ুন আহমেদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।

ads

তিনি এ সময় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়ায় অংশ নেন। এছাড়া হুমায়ন ভক্ত, হিমু ও রুপার চরিত্র সেজে প্রিয় লেখকের কবরে পুস্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অনেকে।

কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মেহের আফরোজ শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদ চলে গেছেন আজ ১৪ বছর। নূহাশ পল্লীর কর্মকর্তা ও আমরাই হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ও মৃত্যুদিন পালন করে থাকি। এর বাইরে সরকার, রাষ্ট্র কারও কাছে কিছু চাওয়ার নেই, আগেও ছিল না।

ads

নুহাশপল্লীতে আগত দর্শনার্থীরা বলছেন, হুমায়ূন না থাকলেও তিনি তার অমর সৃষ্টির মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন যুগ যুগ।

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনারকেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। তার বাবা ফয়েজুর রহমান ও মা আয়েশা ফয়েজ।

২০১২ সালে ১৯ জুলাই মারণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে মারা যান। তবে বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী হুমায়ুন তার সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে এদেশে ভক্ত ও অনুরাগীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন এমনটাই প্রত্যাশা তার অনুরাগীদের।

ad

পাঠকের মতামত